প্রচ্ছদ > বিনোদন >

এআই অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ম্রুণাল ঠাকুরের আইনি হুঁশিয়ারি

article-img

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া ও বিকৃত ‘ডিপফেক’ কনটেন্ট তৈরি করার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর। 

সুনির্দিষ্ট কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্তব্য করেছেন তা স্পষ্ট না করলেও, এটিকে তার পক্ষ থেকে শেষ সতর্কবার্তা বা ‘আল্টিমেটাম’ হিসেবে ধরে নেওয়ার কথা বলেছেন এই তারকা। 

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ম্রুণাল লেখেন, ‘আমার চেহারা বা পরিচয় বিকৃত করে কৃত্রিম বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি করা কিংবা তা ছড়িয়ে দেওয়া সম্পূর্ণ আইনি অপরাধ এবং অগ্রহণযোগ্য। এটাকে অবিলম্বে এ জাতীয় কাজ বন্ধ করার একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ হিসেবে গণ্য করুন। পরবর্তীতে আমার পরিচয়ের যেকোনো অপব্যবহার করা হলে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

সম্প্রতি এআই-এর মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব, কণ্ঠ ও ছবির অপব্যবহার ঠেকাতে বলিউডের একাধিক তারকা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। 

অক্ষয় কুমার, বরুণ ধাওয়ান, অনিল কাপুর, শিল্পা শেঠি, প্রীতি জিন্তা, কার্তিক আরিয়ান এবং সুনীল শেঠির মতো তারকাদের নাম এই তালিকায় রয়েছে। তারা তাদের ব্যক্তিসত্ত্বা এবং ‘পার্সোনালিটি রাইটস’ রক্ষার জন্য আইনি লড়াইয়ের পথ বেছে নিয়েছেন। 

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীদের নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি লেখেন, ‘যখন সত্যকেও বানিয়ে ফেলা যায়, তখন বিবেচনা এবং বুদ্ধিই হয় আমাদের সেরা প্রতিরক্ষা। এআই নিঃসন্দেহে অগ্রগতির প্রতীক, কিন্তু নারীদের লক্ষ্য করে অশ্লীলতা ছড়াতে এর ব্যবহার কিছু মানুষের চরম নৈতিক পতনকে প্রকাশ করে।’ 

রাশমিকা আরও যোগ করেন, ‘ইন্টারনেট এখন আর সততার প্রতীক নয়, বরং এটি এমন এক ক্যানভাস যেখানে যেকোনো কিছু বানিয়ে ফেলা সম্ভব। অপব্যবহারের ঊর্ধ্বে উঠে আসুন আমরা আরও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনে এআই ব্যবহার করি। মানুষ যদি মানুষের মতো আচরণ না করতে পারে, তবে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত।’ 

উল্লেখ্য, রাশমিকা মান্দানার চেহারা ব্যবহার করে কৃত্রিম বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ইতোমধ্যে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।